শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
টেক্সওয়ার্ল্ড প্যারিসে বাংলাদেশ থেকে ১৭টি প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরছে। ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ এই টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বাণিজ্য মেলা ৩১ আগস্ট প্যারিসে শুরু হয়েছে।
প্যারিস-লে বুর্জেতে আয়োজিত তিন দিনের এই মেলা আগামী ২ সেপ্টেম্বর শেষ হবে। এবারের ৫৯তম আসরে প্রায় ৩৫ দেশের ১ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো কাপড়, তৈরি পোশাক, ডেনিম ও বিভিন্ন টেক্সটাইল পণ্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করছে। অংশগ্রহণকারীদের কেউ স্বতন্ত্রভাবে এবং অনেকে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্যাভিলিয়নে পণ্য প্রদর্শন করছে।
ইপিবির প্যাভিলিয়নের অধীনে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। অন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন বিভাগে স্বতন্ত্রভাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হুরাইন হাই টেক, এনজেড ডেনিম ও স্কাইলার্ক নিট কম্পোজিট রয়েছে। এছাড়া নরবান কমটেক্স, ওয়ার্পটেক্স, বিএনএম গার্মেন্টস, ফেবিটেক্স ও ডিকে টেক্সটাইলও অংশ নিয়েছে।
মেলায় চীন, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ইতালি ও মিয়ানমারের বিভিন্ন উৎপাদকও নিজেদের পণ্য প্রদর্শন করছে।
ফ্যাশন ও টেক্সটাইল খাতের আন্তর্জাতিক ক্রেতারা সরাসরি উৎপাদকদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির সম্ভাবনা বাড়ছে।
দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের আরও খবর নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের রপ্তানি খাতের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমও সেখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
ডিকে টেক্সটাইলের মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার ইলিয়াস জানিয়েছেন, মেলায় এখন পর্যন্ত তাদের অভিজ্ঞতা ইতিবাচক। নতুন ব্যবসার সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতা আকর্ষণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি আশাবাদী।
টেক্সওয়ার্ল্ড প্যারিসে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্যের গুণগত মান ও বৈচিত্র্য তুলে ধরছে। পাশাপাশি নতুন বাজার ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদার খোঁজার সুযোগও তৈরি হয়েছে।
আয়োজনে কাপড়, তৈরি পোশাক, অ্যাকসেসরিজ এবং আধুনিক টেক্সটাইল সমাধানের বিস্তৃত প্রদর্শনী রয়েছে। পেশাদার ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগও হচ্ছে।
অংশগ্রহণকারীদের আশা, এই মেলা বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির বাজার আরও সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। সর্বশেষ ব্যবসা-বাণিজ্যের আপডেট পাওয়া যাবে দৈনিক ঢাকার অর্থনীতিে।