শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
আগস্টের প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলারে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৫-এ রেমিট্যান্স ছিল ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার জোগানে স্বস্তি দেওয়া এই প্রবাহ জুলাইয়ের তুলনায়ও ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। সেই হিসাবে প্রথম দুই মাসে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার।
আগের অর্থবছরের একই দুই মাসে এসেছিল প্রায় ৪৮৯ কোটি ৯৮ লাখ ডলার; ফলে বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।
তবে আগস্টের অঙ্কটি ইতিবাচক হলেও টানা তৃতীয় মাস মাসিক রেমিট্যান্স ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে।
তাই এক মাসের প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ধারাবাহিকতা, আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা এবং বৈদেশিক লেনদেনের সামগ্রিক চাপও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
প্রবাসী আয় দেশের আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক পরিশোধের জন্য ডলারের জোগানে সহায়তা করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ১ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৭৪০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে একই রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৪৯ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। রিজার্ভের অবস্থান বোঝার সময় তাই কোন হিসাব ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি স্পষ্ট রাখা জরুরি।
আগস্টের প্রবাসী আয়, রেমিট্যান্সের পাশাপাশি পণ্য ও সেবা রপ্তানিও বৈদেশিক মুদ্রার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে পণ্য বিক্রির একটি উদাহরণ হিসেবে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ মাগুরার রপ্তানিমুখী উদ্যোগের প্রতিবেদন পড়া যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক তথ্যভান্ডারে জুলাইয়ের রেমিট্যান্স ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার দেখানো হয়েছে।
আগস্টের পূর্ণাঙ্গ অঙ্ক নিয়ে ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যটি সেই ধারায় আরও শক্তিশালী প্রবাহ নির্দেশ করছে।
তবে রেমিট্যান্সের ভবিষ্যৎ গতি নির্ভর করবে প্রবাসীদের আয়, বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের পরিস্থিতির ওপর।
আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও আপডেট পেতে দৈনিক ঢাকার অর্থনীতি অনুসরণ করুন।
দ্রুত আপডেট পেতে দৈনিক ঢাকার অর্থনীতি অনুসরণ করুন।