শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

Headline :
অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি এবং দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ফেঞ্চুগঞ্জে ‘প্রতিবাদ সভা’ অনুষ্ঠিত ‎রাজনৈতিক ছত্রছায়ার অভিযোগ, নামে-বেনামে সম্পদ ও প্রশাসনিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন; প্রকৌশলী রাকিবুলের ৩০ কোটি টাকা দুর্নীতি ও লুটপাট, চুপ কেন দুদক? দুই থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, আতঙ্কে লৌহজংবাসী তারাকান্দায় ফিশারীতে বিষপ্রয়োগ ও দুর্ধর্ষ লুটপাট, আহত ১: মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে তাণ্ডব ডেমরায় নিষিদ্ধ লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপি নেতার গোপন বৈঠক: চাঁদাবাজি ও অপরাধের সাম্রাজ্য প্রশাসনের নীরবতায় ফের চালু লাইসেন্সবিহীন তামান্না ডেন্টাল কেয়ার বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও হ’ত্যার হুমকির অভিযোগ: অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি আওয়ামী চক্র পুনর্বাসনের চেষ্টা আইসিটি বিভাগে- দেখার কেউ নেই একের পর এক অভিযোগ, আলোচনায় জৈনসার ইউনিয়নের জামায়াত নেতা মাওলানা মনির শেখ গণপূর্তে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

হিমালয়ের বিপর্যয়ে বাড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক / ৫২ Time View
Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
হিমালয়ের বিপর্যয় ও দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি

দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি নতুন করে সামনে এনেছে নেপালের সাম্প্রতিক হড়পা বান। পাহাড়ি স্রোত, কাদা ও পাথর দ্রুত জনপদ এবং যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই বিপর্যয় দেখিয়েছে, হিমালয়ের দুর্যোগ কোনো এক দেশের সীমানায় আটকে থাকে না।

নেপাল-চীন সীমান্তের রাসুওয়াগাড়ি-গিরোং অঞ্চলের ঘটনাটি এখন বিশেষভাবে আলোচনায়। ইউএসজিএসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে হিমবাহধস থেকে ভয়াবহ ধস ও বন্যা সৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি বলা হয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব নির্ধারণে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকিতে হিমালয়ের পরিবর্তন

হিমালয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হিমবাহ সরে যাওয়া এবং বরফ গলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। এসব পরিবর্তনে পাহাড়ি ঢাল দুর্বল হতে পারে এবং হিমবাহ-হ্রদও বড় হতে পারে। ফলে ভূমিধস, হড়পা বান এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

এই বাস্তবতায় শুধু অতীতের বৃষ্টি বা নদীর সর্বোচ্চ পানির হিসাব যথেষ্ট নয়।

উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভবিষ্যতের আরও চরম পরিস্থিতিকেও বিবেচনায় নিতে হবে। সেতু, রাস্তা, বাঁধ ও বসতির নকশায় পরিবর্তিত ঝুঁকি যুক্ত করা জরুরি।

নেপালের সাবেক যোজনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দরাজ পোখরেল আগাম সতর্কতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

অন্যদিকে চীনা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা না দেওয়া এবং বাঁধ বিপর্যয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

দুর্যোগ ও জলবায়ু সংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন জানতে আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

ভারত-বাংলাদেশের করণীয় কী

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর বিপুল পানি সীমান্তের ওপার থেকে আসে।

তাই দেশের বন্যা ব্যবস্থাপনা শুধু অভ্যন্তরীণ তথ্যের ওপর নির্ভর করলে যথেষ্ট হবে না। ভারতের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা প্রযোজ্য।

নেপাল, ভারত, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য বিনিময় আরও শক্তিশালী করা দরকার।

প্রয়োজনে চীনের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকেও এই ব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে।

স্যাটেলাইট তথ্য, নদী পর্যবেক্ষণ ও ভূমিধস শনাক্তকরণ একসঙ্গে কাজ করলে সতর্কতা দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি নিরাপদ সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি। কয়েক ঘণ্টার আগাম তথ্য একটি গ্রাম খালি করতে পারে এবং বহু জীবন বাঁচাতে পারে।

তাই ত্রাণের পাশাপাশি দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতাই এখন সবচেয়ে কার্যকর পথ।

কারণ নদী, বরফ ও পাহাড় কোনো রাজনৈতিক সীমানা মানে না।

সর্বশেষ জলবায়ু ও আঞ্চলিক খবর আরও জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *