শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারি অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে সুসজ্জিত স্কুল ভবন ও ঘর ভেঙে বিক্রির অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ধানুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়মবহির্ভূত এই ঘটনার পর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনকে শোকজ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
একইসাথে পুরো বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে তদন্তের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে এলজিইডি ও জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মিত ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের নতুন ভবনটি ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
স্থানীয় ও জাতীয় শিক্ষা খাতের নানা খবরের আপডেট জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও জানুন। একইসাথে তাজা সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে আমাদের দৈনিক ঢাকার অর্থনীতি।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন মেনে নতুন ভবনের জায়গা করার স্বার্থে পুরোনো ঘর ভাঙার দাবি করেছেন। তবে বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি এই ভবন ভাঙা বা বিক্রির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞতার কথা নিশ্চিত করে তদন্ত দাবি করেছেন।
তাঁর অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশ বুঝিয়ে না দিয়ে প্রধান শিক্ষক বেআইনিভাবে এই কাজ সম্পন্ন করায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ জানান যে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নতুন ভবন বিক্রি করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তাই প্রধান শিক্ষকের জবাব এবং গঠিত তদন্ত কমিটির আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তদন্ত কমিটি জানিয়েছে অনিয়মের সত্যতা মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া নিশ্চিত করা হবে।
সরকারি বিপুল অর্থের অপচয় ও অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে বর্তমানে চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
পরিশেষে বলা যায় যে তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষ রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করছে অভিযুক্ত শিক্ষকের প্রশাসনিক ও আইনি ভবিষ্যৎ।
শিক্ষা ও প্রশাসনিক এলাকার সমস্ত তাজা খবরের আপডেট সরাসরি পেতে আমাদের অফিশিয়াল এক্স পেজে ফলো করুন।