শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

Headline :
অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি এবং দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ফেঞ্চুগঞ্জে ‘প্রতিবাদ সভা’ অনুষ্ঠিত ‎রাজনৈতিক ছত্রছায়ার অভিযোগ, নামে-বেনামে সম্পদ ও প্রশাসনিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন; প্রকৌশলী রাকিবুলের ৩০ কোটি টাকা দুর্নীতি ও লুটপাট, চুপ কেন দুদক? দুই থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, আতঙ্কে লৌহজংবাসী তারাকান্দায় ফিশারীতে বিষপ্রয়োগ ও দুর্ধর্ষ লুটপাট, আহত ১: মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে তাণ্ডব ডেমরায় নিষিদ্ধ লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপি নেতার গোপন বৈঠক: চাঁদাবাজি ও অপরাধের সাম্রাজ্য প্রশাসনের নীরবতায় ফের চালু লাইসেন্সবিহীন তামান্না ডেন্টাল কেয়ার বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও হ’ত্যার হুমকির অভিযোগ: অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি আওয়ামী চক্র পুনর্বাসনের চেষ্টা আইসিটি বিভাগে- দেখার কেউ নেই একের পর এক অভিযোগ, আলোচনায় জৈনসার ইউনিয়নের জামায়াত নেতা মাওলানা মনির শেখ গণপূর্তে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসের হ্রদে নতুন বন্যার শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক / ৫৪ Time View
Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসে সৃষ্ট হ্রদ ও বন্যার ঝুঁকি

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ ঘিরে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নেপালের দিক থেকে নেমে আসা ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষ নদীর প্রবাহ আটকে এই হ্রদ তৈরি করেছে।

গিরং সীমান্তবন্দর ও ভাটির জনপদগুলোকে তাই সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে হ্রদটিতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি ছিল।

পরবর্তী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশের পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

অব্যাহত বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক বাঁধ ভাঙলে নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা নামতে পারে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ নিয়ে সতর্কতা

কর্তৃপক্ষের হিসাবে, পানির প্রবাহ ১ সেপ্টেম্বরের দিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বিশেষজ্ঞ দলও হ্রদের বাঁধ, পানির গভীরতা ও প্রবাহের গতি নিয়মিত পরীক্ষা করছে।

সম্ভাব্য ক্ষতির তালিকায় গিরং বন্দর এবং নদীর নিম্নাঞ্চল রয়েছে। স্যাটেলাইট ও জরুরি জলবিদ্যুৎ পর্যবেক্ষণ দল দিয়ে পরিস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ৪৯৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা ও নির্মাণশ্রমিককে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫৫৫ জন পর্যটককেও দুর্যোগ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে আর কোনো পর্যটক আটকা নেই।

তবে শুক্রবার হ্রদের পানি কিছুটা কমায় তাৎক্ষণিক ঝুঁকি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে উদ্ধারকারীরা জানান।

এরপর স্থগিত উদ্ধার কার্যক্রম আবার শুরু হয়। তবু চলমান বৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পাহাড়ের কারণে দ্বিতীয় দফা দুর্যোগের আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি।

উদ্ধার ও পর্যবেক্ষণে বাড়তি সতর্কতা

বুধবারের ভয়াবহ কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতে গিরং এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাস্তা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা কঠিন হয়ে পড়ে।

শত শত মানুষ নিখোঁজ থাকার খবরও পাওয়া গেছে। সীমান্ত দুর্যোগের প্রেক্ষাপট নিয়ে দৈনিক ঢাকার অর্থনীতি আরও জানুন।

উদ্ধারকারীরা ড্রোন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

চীনা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য নতুন হ্রদ শনাক্ত করতেও আশপাশের নদী ও পাহাড় পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদ আগে থেকেই খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি ও ভূমিধস পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ পরিস্থিতির পরবর্তী সতর্কতা আরও জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ এক্স আপডেটে নজর রাখা যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উদ্ধারকাজের পাশাপাশি আগাম সতর্কতা ও দ্রুত স্থানান্তর এখন প্রধান অগ্রাধিকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *