শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্তের পর দীর্ঘমেয়াদী সুফলের কথা বিবেচনা করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি মেনে নিয়েছেন দেশের প্রথম সারির ক্রিকেটাররা। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বিসিবির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নানামুখী প্রশাসনিক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগের কারণে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ঘরোয়া আসরটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
কোয়াব ও বোর্ডের এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফলে ১৫০ থেকে ২০০ জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার সরাসরি বড় সুবিধা পাবেন। দেশের ক্রিকেট ও আন্তর্জাতিক খেলার নানা খবর পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও জানুন। একইসাথে তাজা সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে আমাদের দৈনিক ঢাকার অর্থনীতি।
বিসিবি সভাপতির পদ গ্রহণের পর তামিম স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কোনো অনিয়মের মাঝে যেনতেনভাবে আসর পরিচালনা সম্ভব নয়। তাই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএল বন্ধ থাকলেও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এনসিএল ও বিসিএলের ম্যাচ ফি বৃদ্ধির পরিকল্পনা অত্যন্ত জোরালো করা হচ্ছে। ক্রিকেটারদের দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী পরপর তিনটি আসরে ম্যাচ ফি বাবদ অন্তত ৩০ লাখ টাকা নিশ্চিতের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।
তবে ম্যাচ ফি বৃদ্ধি করা হলেও জাতীয় দলের তারকা ও প্রথম সারির দামি ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি পূরণ হওয়া অসম্ভব। বিপিএলে যারা কোটি টাকার বেশি আয় করতেন তাঁরা মূলত প্রথম শ্রেণির উঠতি তরুণ খেলোয়াড়দের স্বার্থে এই ত্যাগ মেনে নিয়েছেন। বিদেশে অবস্থানরত জাতীয় দলের অধিনায়ক এবং সব তারকাদের সাথে বিস্তারিত ফোনালাপের মাধ্যমেই শেষ পর্যন্ত বিসিবি ও ক্রিকেটারদের ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।
বোর্ডের এই নিরপেক্ষ ও শক্ত ভূমিকা টুর্নামেন্টে দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ক্রিকেটকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
পরিশেষে বলা যায় যে ক্রিকেটারদের এই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোর টেকসই ভিত্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। ক্রীড়াঙ্গনের সমস্ত তাজা খবরের আপডেট সরাসরি পেতে আমাদের অফিশিয়াল এক্স পেজে ফলো করুন।